গঠনতন্ত্র
উৎসঙ্গ সৃজন চিন্তন

ঘোষণাপত্র

ধারা ১: নাম
সংগঠনের নাম ‘উৎসঙ্গ সৃজন চিন্তন’, ইংরেজিতে ‘utsangasrijanchintan’.

ধারা ২: প্রতিষ্ঠাকাল
সংগঠনের প্রতিষ্ঠাকাল ০১ ফেব্র“য়ারি ২০০০ ইংরেজি।

ধারা ৩: পতাকা
সংগঠনের পতাকার জমিন হবে সাদা। মধ্যখানে লোগো।

ধারা ৪: চিহ্ন বা লোগো
কালো রঙে উৎসঙ্গ লেখা, লেখার উপরে নিচে ৪টি করে ৮টি লাল রেখা এবং উসঙ্গ লেখার নিচে লাল রঙে সৃজন চিন্তন লেখা।

ধারা ৫: বৈশিষ্ট্য
একটি স্বেচ্ছাসেবী জাতীয় গণ-সাহিত্য-সাংস্কৃতিক সংগঠন।

ধারা ৬: কার্যালয়
উৎসঙ্গের কেন্দ্রীয় কার্যালয় বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত থাকবে।

ধারা ৭ : লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য
৭.১ : দেশের শুভ বুদ্ধি সম্পন্ন জনগণকে বিশেষ তরুণ সমাজকে সংগঠিত করবে।
৭.২ : স্বাধীন সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশে অবাধ আত্মবিকাশ, ভাব ও সংস্কৃতির আদান-প্রদানের নিশ্চয়তা বিধান উৎসঙ্গের লক্ষ্য।
৭.৩ : দেশবাসীর মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধের নিবিড় সম্পর্ক স্থাপনের জন্য ধর্ম, বর্ণ, সম্প্রদায় ও জাতিসত্তা কল্যাণে কাজ করা।
৭.৪ : দেশের ঐতিহ্যসম্পৃক্ত সাহিত্য-সংস্কৃতির বিলীয়মান বিভিন্ন রূপের পুনঃজীবনের চেষ্টা করা।
৭.৫ : দেশের প্রকৃত সাহিত্য-সাংস্কৃতিক ধারাকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরার নিরন্তর প্রয়াস চালিয়ে যাবে।
৭.৬ : বাংলাদেশে বসবাসরত বিভিন্ন ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ও সম্প্রদায়ের ভাষা, সাহিত্য-সংস্কৃতিকে লালন, বিকাশ প্রসার ও সমৃদ্ধ করার জন্য প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা ও উদ্যোগ নেবে।
৭.৭ : উৎসঙ্গ সকল কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দেশ ও জাতির আশা-আকাঙ্খাকে অবিকৃতভাবে তুলে ধরবে এবং দেশ ও জাতিকে এক সুখী সুন্দর সমাজ গঠনে উদ্বুদ্ধ করবে।
৭.৮ : বিশ্বশান্তির পক্ষে সাহিত্য-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় সংগঠন সর্বতোভাবে তৎপর থাকবে।
৭.৯ : বিশ্বের যে কোনো দেশের সাহিত্য-সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সম্মান প্রদর্শন করা।
৭.১০ : সমাজের সকল শ্রেণীর মানুষের সার্বিক মুক্তির চেতনাকে লক্ষ্য রেখে উৎসঙ্গ সকল কর্মসূচি প্রণয়নে ও বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর।
৭.১১ : বিশেষ বিশেষ অকেশনে সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, দিবস পালন, আলোচনাসভা আয়োজন করা।
৭.১২ : দেশের সমস্যাবলী সম্পর্কে গবেষণা প্রকল্প গ্রহণ করবে এবং এই গবেষণা সমূহের ফল নিয়মিতভাবে দেশের জনগণ ও নীতি নির্ধায়কদের কাছে তুলে ধরবে।
৭.১৩ : প্রতি মাসে অন্তত একটি সাহিত্য আড্ডা পরিচালনা।
৭.১৪ : এদেশের তরুণ সমাজকে অধ্যয়নে ও চিন্তার উদ্বুদ্ধ করার জন্য দেশের বিভিন্ন সমস্যাবলী সম্পর্কে নিয়মিত পাঠচক্র, কর্মশালার আয়োজন করবে।
৭.১৫ : পত্রপত্রিকা ইত্যাদি প্রকাশের উদ্যোগ গ্রহণ করবে।
৭.১৬ : বাংলাদেশের সকল জাতীয় দিবস এবং উৎসঙ্গের ঘোষণাপত্র ও লক্ষ্য-উদ্দেশ্যের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ আন্তর্জাতিক দিবসসমূহ সাধ্যানুযায়ী পালন করবে।
৭.১৭ : দেশের সকল প্রথিতযশা ও সম্ভাবনাময় কবি-সাহিত্যিক, শিল্পী, নাট্যকারের সৃজনশীল কর্ম প্রয়াসকে সমাজ বিকাশের স্বার্থে ব্যবহার করা।
৭.১৮ : বাংলাদেশের সকল শিল্পীর উপযুক্ত সামাজিক ও অর্থনৈতিক মর্যাদা অর্জনে এবং তাদের ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগত স্বার্থ সংরক্ষণে উদ্যোগী হবে।
৭.১৯ : সাহিত্য-সাংস্কৃতিক আন্দোলনের সাধারণ লক্ষ্য অর্জনের স্বার্থে প্রয়োজনানুসারে অন্যান্য সাহিত্য-সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের সাথে ভাবের আদান প্রদান এবং সহযোগিতামূলক তৎপরতা চালিয়ে যাবে।
৭.২০ : দেশের সকল সাহিত্য-সাংস্কৃতিক কর্মীদের পেশাগত অসুবিধাসমূহ ও তাদের প্রতিভার পূর্ণ বিকাশের পথে যেসব অন্তরায় বিদ্যমান সেসব দূরীকরণে যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করবে।
৭.২১ : সম্প্রসারণবাদী সংকীর্ণ, বিকৃত এবং অপসংস্কৃতির পরিবর্তে জাতীয় সাহিত্য-সংস্কৃতির সঠিক বিকাশের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টিতে বদ্ধপরিকর।
৭.২২ : সমাজজীবনকে বিপথগামী ও কলুষিত করতে পারে এ জাতীয় অপ-সাহিত্য, সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে দৃঢ় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
৭.২৩ : বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির বিকাশের সাথে সাথে স্যাটেলাইট সংস্কৃতির প্রবল প্রভাবে আচ্ছন্ন দেশীয় সংস্কৃতি। দেহসর্বস্ব, কু-রুচিপূর্ণ অসুস্থ বিনোদনের এই সর্বগ্রাসী প্রভাব রোধ করার জন্য সমান্তরাল সুস্থ সাহিত্য-সাংস্কৃতিক ধারা সৃষ্টির মাধ্যমে দেশীয় সংস্কৃতির বিকাশ সাধনের জন্য সর্বাত্মক আন্দোলন গড়ে তুলবে।

ধারা ৮: সদস্য
৮.১ : সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য, গঠনতন্ত্র, কর্মসূচীতে আস্থা স্থানপকারী দেশের সকল লেখক, কবি, সাহিত্যিক, শিল্পী, অভিনেতা, চিন্তাবিদ সংগঠনের নির্বাহী পরিষদের অনুমোদন ক্রমে সদস্য হতে পারবেন।
৮.২ : সদস্যের শ্রেণীবিভাগ-
নিম্নরূপ চার প্রকারের সদস্য থাকবেঃ
৮.৩ : সাধারণ সদস্য: দেশের যে কেনো লেখক, কবি, সাহিত্যিক, শিল্পী, অভিনেতা, চিন্তাবিদ বাৎসরিক ১০০ টাকা চাঁদা প্রদান সাপেক্ষে সাধারণ সদস্য হতে পারবেন।
৮.৪ : সহযোগী সদস্য: প্রবাসী বাংলাদেশীরা বাৎসরিক নূন্যতম ১,০০০ টাকা চাঁদা প্রদান সাপেক্ষে সহযোগী সদস্য হতে পারবেন।
৮.৫ : সম্মানিত সদস্য: স্ব স্ব ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ কোন ব্যক্তিকে নির্বাহী পরিষদের অনুমোদন ক্রমে সম্মানিত সদস্য পদ প্রদান করা হবে।
৮.৬ : আজীবন সদস্য: এককালীন ১০,০০০ টাকা প্রদান সাপেক্ষে যে কেনো লেখক, কবি, সাহিত্যিক, শিল্পী, অভিনেতা, চিন্তাবিদ সংগঠনের আজীবন সদস্য হতে পারবেন।
৮.৭ : প্রতি জানুয়ারি মাসের মধ্যে সদস্য চাঁদা প্রদান সাপেক্ষে সদস্য পদ নবায়ন করতে হবে।
৮.৮ : নির্বাহী পরিষদ সদস্যদের চাঁদার হার পরিবর্তনের অধিকার সংরক্ষণ করে।

ধারা ৯ : সদস্য পদ বাতিলের নিয়মাবলী
৯.১ : কোন সদস্য স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করলে
৯.২ : দেশবিরোধী ও সংগঠনের ঘোষণাপত্র ও গঠনতন্ত্র বিরোধী কার্যকলাপে লিপ্ত হলে।
৯.৩ : কোন সদস্যের এক নাগাড়ে তিন বছরের অধিক চাঁদা বাকি পড়লে।
৯.৪ : গুরুতর অপরাধের কারণে দোষী সাবস্থ হলে সংগঠনের সদস্য পদ বাতিল, দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি এমন কি বহিষ্কার করার এখতিয়ার নির্বাহী পরিষদ সংরক্ষণ করে।

ধারা ১০: সাংগঠনিক কাঠামো
সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ৩টি পরিষদ থাকবে। যথা
১০.১ : সাধারণ সভা
সংগঠনের সকল ধরণের সদস্যদের নিয়ে সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে। সাধারণ সভা হবে সংগঠনের সর্বোচ্চ পরিষদ। এতে নির্বাহী পরিষদ কতৃক পেশকৃত সংগঠনের কাজের প্রতিবেদন, আর্থিক প্রতিবেদন, ভবিষ্যত পরিকল্পনা ইত্যাদি বিষয়ে সাধারণ সভায় আলোচনার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
১০.২ : নির্বাহী পরিষদ
সংগঠনকে পরিচালনার জন্য ১১ সদস্য বিশিষ্ট নির্বাহী পরিষদ থাকবে। এ পরিষদে ১ জন পরিচালক, ১ জন যুগ্মপরিচালক, ১ জন সহাকারী পরিচালক, ৮ জন বিভাগীয় পরিচালক। নির্বাহী পরিষদের মেয়াদকাল হবে ২ বছর। নির্বাহী পরিষদের মেয়াদ শেষে পরবর্তী সাধারণ সভায় সংগঠনের সকল সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে নতুন নিবার্হী পরিষদ গঠিত হবে। কোনরূপ জটিলতা দেখা দিলে গোপন ব্যালেট মাধ্যমে ভোগ গ্রহণ করা হবে।
১০.৩ : উপদেষ্টা পরিষদ
নিবার্হী পরিষদ প্রয়োজনবোধে এক বা একাধিক বিষয়ের বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠনমূলক পরামর্শ গ্রহণের জন্য তিন থেকে সাত সদস্য বিশিষ্ট উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করতে পারবেন। উপদেষ্টা পরিষদ নির্বাহী পরিষদের আমন্ত্রণক্রমে সংগঠনের সুনির্দিষ্ট বিষয়ে উপদেশ বা পরামর্শ প্রদান করবেন। নির্বাহী পরিষদ উপদেষ্টা পরিষদ বিলুপ্ত করতে পারবেন।

ধারা ১১: নিবার্হী পরিষদের দায়িত্ব ক্ষমতা ও কার্যাবলী
১১.১ : নিবার্হী পরিষদ সাধারণ পরিষদের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করবে।
১১.২ : ঘোষণাপত্র গঠনতন্ত্রের আলোকে নির্বাহী সংগঠনের যাবতীয় কাজ পরিচালনা করবে।
১১.২ : জরুরী ও বিশেষ কাজের জন্য উপকমিটি গঠন করবে।
১১.৩ : কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ, বেতন ভাতা সম্মানী ও দায়িত্ব নির্ধারণ, নিয়োগ বাতিল করতে পারবে।
১১.৪ : সকল প্রশাসনিক ব্যবস্থা পরিচালনা করবে।
১১.৫ : সংগঠনের সকল হিসাব-নিকাশ, খরচের ভাউচার, ক্যাশ বই, লেজার বই, চুড়ান্ত হিসাবের বিবরণী প্রস্তুত করবে।
১১.৬ : প্রয়োজনে নিরীক্ষক নিয়োগের মাধ্যমে সকল হিসাব নিরীক্ষা করানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
১১.৭ : নির্বাহী পরিষদ প্রয়োজনবোধে জরুরী ভিত্তিতে গঠনতন্ত্রে উল্লেখ নেই এমন বিষয়ে পরবর্তীতে সাধারণ সভায় অনুমোদন সাপেক্ষে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারবেন।
১১.৮ : নির্বাহী পরিষদ সংগঠনের ভবিষ্যত কর্মসূচী ও করণীয় নির্ধারণ করে সাধারণ সভায় পেশ করবেন।
১১.৯ : নির্বাহী পরিষদের যে কোন সদস্য পদত্যাগ করার অধিকার সংরক্ষণ করেন।
১১.১০ : নিবার্হী পরিষদের কোন সদস্য দায়িত্ব পালনে অসামর্থ্য অথবা ব্যর্থ হলে নির্বাহী পরিষদ তাকে অব্যাহিত দিতে পারবেন।
১১.১১ : মেয়াদ কালের মধ্যে নিবার্হী পরিষদের কোন পদ শূন্য হলে সংগঠনের সদস্যদের মধ্য থেকে কো-অপ্ট করা হবে। শূন্য পদ পূরণের পূর্ব পর্যন্ত নিবার্হী পরিষদের মনোনীত ব্যক্তি উক্ত দায়িত্ব পালন করবেন।

ধারা ১২: নির্বাহী পরিষদের বিভাগ সমূহ
সংগঠনের কাজের সুবিধার্থে পরিষদের ৮টি থাকবেঃ নির্বাহী পরিষদের ৮ জন সদস্য এসব বিভাগের পরিচালক নিযুক্ত হবেন। এগুলো হলো:
১২.১: সাংগঠনিক পরিচালক
১২.২: প্রচার ও প্রকাশানা
১২.৩: অর্থ
১২.৪: সাহিত্য আড্ডা, পাঠচক্র ও সেমিনার
১২.৫: ব্যবস্থপনা
১২.৬: তথ্য ও জনসংযোগ
১২.৭: শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক
১২.৮: মহিলা বিষয়ক সম্পাদক

ধারা ১৩.১ : নিবার্হী পরিষদের সদস্যদের ক্ষমতা, দায়িত্ব ও কতব্য
১৩.১ : পরিচালক:
পরিচালক সংগঠনের সকল ধরনের সভা-অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন। তিনি সংগঠনের সামগ্রিক বিষয়ের দিকে লক্ষ্য রাখবেন। তিনি নির্বাহী পরিচালক নিবার্হী পরিষদের সভা আহবান করতে বলবেন। পরিচালকের অনুপস্থিতিতে যুগ্মপরিচালক বা নির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্তক্রমে পরিষদের অন্য কোন পরিচালক সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
১৩.২ : যুগ্ম পরিচালক:
পরিচালকের অনুপস্থিতিতে যুগ্ম পরিচালক সংগঠনের নির্বাহী পরিষদের সভায় সভাপতিত্ব করবেন এবং সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন এছাড়া নির্বাহী পরিষদ কর্তৃক তার উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করবেন।
১৩.৩ : সহকারী পরিচালক:
সহকারী পরিচালক পরিচালকের সাথে পরামর্শ করে নিবার্হী পরিষদের সভা আহবান করবেন। তবে পরিচালকের সাথে পরামর্শ করার সুযোগ না থাকলে যুগ্ম পরিচালক বা একাধিক পরিচালকের সাথে পরামর্শ করে সভা আহ্বান করবেন। তিনি সংগঠনের নির্বাহী পরিষদের সকল সদস্যদের মধ্যে সমন্বয় সাধন করবেন। তিনি সংগঠনের সকল পর্যায়ের সদস্যদের সাথে প্রয়োজনে যোগাযোগ রক্ষা করবেন। সহকারী পরিচালকের অনুপ্পস্থিতিতে সংগঠনের নির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্তক্রমে পরিষদের জন্য কোন পরিচালক নিবার্হী পরিচালকের দায়িত্ব পালন করবেন।
১৩.৪ : পরিচালক, সাংগঠনিক :
সংগঠনের যাবতীয় প্রশাসনিক ও সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করবেন।
১৩.৫ : পরিচালক, প্রচার ও প্রকাশনা :
সংগঠনের প্রচার ও প্রকাশনা সংক্রান্ত যাবতীয় কাজের দায়িত্ব পালন করবেন এই পরিচালক। তিনি সংগঠনের প্রচার ও প্রসারে সচেষ্ট হবেন।
১৩.৬ : পরিচালক, অর্থ :
সংগঠনের আয়-ব্যয়ের খাত ও হিসাব, বাজেট, নানা খাতে অর্থ বরাদ্দ প্রদান সহ অর্থ সংক্রান্ত নানা বিষয়ে দায়িত্ব পালন করবেন এই পরিচালক। তিনি হিসাব বই সহ অর্থ সংক্রান্ত যাবতীয় খতা সংরক্ষণ করবেন এবং নিবার্হী পরিষদ ও সাধারণ সভায় অর্থ রিপোর্ট পেশ করবেন। তিনি সংগঠনের অর্থের ভবিষ্যত উৎস চিহ্নিত করে নির্বাহী পরিষদের সভায় পেশ করবেন।
১৩.৭ : পরিচালক, সাহিত্য আড্ডা, পাঠচক্র ও সেমিনার:
সংগঠনের সাহিত্য আড্ডা, পাঠচক্র, সেমিনার, প্রশিক্ষণ ইত্যাদির যাবতীয় দায়িত্ব পালন করবেন এই সংগঠনের সাহিত্য আড্ডা, পাঠচক্র, সেমিনার, প্রশিক্ষণ ইত্যাদির বিষয় নির্ধারণ করে নির্বাহী পরিষদে পেশ করবেন।
১৩.৮ : পরিচালক, ব্যবস্থাপনা
সংগঠনের সকল ধরনের অনুষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত যাবতীয় দায়িত্ব পালন করবেন এই পরিচালক। অনুষ্ঠানের স্থান নির্ধারণ, সুন্দরভাবে অনুষ্ঠান সম্পন্ন করার জন্য যাবতীয় বিষয় তদারকি করবেন।
১৩.৯ : পরিচালক, তথ্য ও জনসংযোগ :
সংগঠনের কর্মকান্ডে সাথে সংশ্লিষ্ট সকল ধরণের তথ্য সংগ্রহ এবং সংগঠনের বিবরণ ইলেক্ট্রনিক্স ও প্রিন্ট মিডিয়ার প্রকাশের জন্য তৈরি ও প্রেরণের দায়িত্ব পালন করবেন এই পরিচালক। তিনি সংগঠনের কাজের সুবিধার্থে জনগণের সাথে যোগাগের কাজটিও করবেন।
১৩.১০ : পরিচালক, শিক্ষা ও গবেষণা
সংগঠনের গবেষণা সংক্রান্ত সকল কাজের দয়িত্ব থাকবেন এই পরিচালক। তিনি গবেষণার বিষয়, ব্যাপ্তি, স্থান, সময় ইত্যাদি গবেষণ সংক্রান্ত নানা বিষয় নির্ধারণ করে নির্বাহী পরিষদে পেশ করবেন। গবেষণা চলাকালীন সময়ে তিনি গবেষণায় সমস্ত কাজ তদারকি করবেন।
১৩.১১ : পরিচালক, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক:
সংগঠনের সাথে স¤পৃক্ত মহিলাদের সকল কাজে সহযোগিতা করবেন। তাদের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করবেন।

শপথনামা
আমি মহান আল্লাহর ওপর সম্পূর্ণ আস্থা প্রকাশ করে শপথ করছি যে, আমি উৎসঙ্গ সৃজন চিন্তনের ঘোষণাপত্র ও আদর্শ উদ্দেশ্যের প্রতি অবিচল থাকবো এবং একজন শিল্পী-সাহিত্যকর্মী হিসেবে দেশ ও দেশের মানুষের বৃহত্তর স্বার্থে আমার কর্মজীবন উৎসর্গ করবো। সুখী সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার কাজে আমার সৃজনশীল মেধা ও সত্তাকে নিয়োজিত রাখবো। ইনশাআল্লাহ।